সাভারে এসআই নেয়ামতের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা, তদন্তের নির্দেশ পিবিআইকে
Abu Taher
প্রকাশ: 17 Aug 2026, 04:59 AM
62 views
1 min read
সাভারে এসআই নেয়ামতের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা, তদন্তের নির্দেশ পিবিআইকে
স্টাফ রিপোর্টার, রাফা ২৪:
সাভার মডেল থানার বিতর্কিত উপপরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ নেয়ামত উল্লাহসহ তিনজনের বিরুদ্ধে ঢাকার আদালতে একটি চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলাটি করেছেন সাভারের পশ্চিম রাজাশন এলাকার বাসিন্দা মোসা. সুরাইয়া বেগম। মামলায় অন্য দুই আসামি হলেন সামির ও সাদ্দাম। আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্ত করে প্রতিবেদন জমার নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বাদীর ছেলে শামীম রেজাকে গ্রেপ্তারের পর রিমান্ডে নিয়ে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের ভয় দেখিয়ে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন এসআই নেয়ামত উল্লাহ। এছাড়া ভয় দেখিয়ে লাখ টাকা মূল্যের দুটি দামী আইফোন আদায়ের সুনির্দিষ্ট অভিযোগও আনা হয়েছে তার বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, গ্রেপ্তারের আগে ও পরে দফায় দফায় নগদ টাকা, সোনার আংটি ও মোবাইল ফোন আত্মসাৎ করার কথাও মামলায় উল্লেখ করা হয়। পরবর্তীতে থানা কর্তৃপক্ষ মামলা না নেওয়ায় ভুক্তভোগী পরিবার আদালতের দ্বারেস্থ হন।
ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহাবুবুর রহমানের আদালত নথিপত্র পর্যালোচনা করে মামলাটি আমলে নেন এবং পিবিআইকে দ্রুত তদন্তের নির্দেশ দেন। সাভারের এই এসআইকে ঘিরে এর আগেও ঘুষ, চাঁদাবাজি ও প্রভাব বিস্তারের একাধিক অভিযোগ সংবাদমাধ্যমে উঠে এসেছিল।
স্টাফ রিপোর্টার, রাফা ২৪:
সাভার মডেল থানার বিতর্কিত উপপরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ নেয়ামত উল্লাহসহ তিনজনের বিরুদ্ধে ঢাকার আদালতে একটি চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলাটি করেছেন সাভারের পশ্চিম রাজাশন এলাকার বাসিন্দা মোসা. সুরাইয়া বেগম। মামলায় অন্য দুই আসামি হলেন সামির ও সাদ্দাম। আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্ত করে প্রতিবেদন জমার নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বাদীর ছেলে শামীম রেজাকে গ্রেপ্তারের পর রিমান্ডে নিয়ে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের ভয় দেখিয়ে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন এসআই নেয়ামত উল্লাহ। এছাড়া ভয় দেখিয়ে লাখ টাকা মূল্যের দুটি দামী আইফোন আদায়ের সুনির্দিষ্ট অভিযোগও আনা হয়েছে তার বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, গ্রেপ্তারের আগে ও পরে দফায় দফায় নগদ টাকা, সোনার আংটি ও মোবাইল ফোন আত্মসাৎ করার কথাও মামলায় উল্লেখ করা হয়। পরবর্তীতে থানা কর্তৃপক্ষ মামলা না নেওয়ায় ভুক্তভোগী পরিবার আদালতের দ্বারেস্থ হন।
ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহাবুবুর রহমানের আদালত নথিপত্র পর্যালোচনা করে মামলাটি আমলে নেন এবং পিবিআইকে দ্রুত তদন্তের নির্দেশ দেন। সাভারের এই এসআইকে ঘিরে এর আগেও ঘুষ, চাঁদাবাজি ও প্রভাব বিস্তারের একাধিক অভিযোগ সংবাদমাধ্যমে উঠে এসেছিল।