মহানবীকে নিয়ে ফেসবুকে কটূক্তি: অবশেষে কক্সবাজার থেকে সেই অনিক গ্রেফতার
Ibrahim Bin Rume
প্রকাশ: 31 Aug 2026, 01:48 PM
43 views
2 min read
মহানবীকে নিয়ে ফেসবুকে কটূক্তি: অবশেষে কক্সবাজার থেকে সেই অনিক গ্রেফতার
স্টাফ রিপোর্টার, ঢাকা:
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এবং হযরত আয়েশা (রা.)-কে নিয়ে অত্যন্ত আপত্তিকর ও অবমাননাকর মন্তব্য করার অভিযোগে অভিযুক্ত যুবক ইফতেখার অনিককে (২৮) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আত্মগোপনে থাকা এই যুবককে কক্সবাজার জেলা থেকে গ্রেফতার করা হয়।
রোববার (৩০ আগস্ট ২০২৬) কেরানীগঞ্জ সার্কেল ও ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জামিলুল হক গ্রেফতারের বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন。
ঘটনার বিবরণ:
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কয়েক দিন আগে ইফতেখার অনিক তার ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে ইসলামের শেষ নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর শানে মারাত্মক কটূক্তিপূর্ণ একটি পোস্ট দেয়। পোস্টটি মুহূর্তেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। অনিকের এই ধৃষ্টতাপূর্ণ মন্তব্যের প্রতিবাদে ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের ইকুরিয়া ও সরদারপাড়া এলাকায় স্থানীয় মুসল্লিদের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা ও ব্যাপক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার অপরাধে অনিকের বিরুদ্ধে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়।
কক্সবাজারে আত্মগোপন ও গ্রেফতার:
মামলা হওয়ার পরপরই আইনি সাজা এবং জনগণের ক্ষোভ থেকে বাঁচতে অনিক নিজের এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায় এবং পর্যটন নগরী কক্সবাজারে গিয়ে আত্মগোপন করে। তবে শেষ রক্ষা হয়নি। তথ্যপ্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার এবং গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা পুলিশের একটি বিশেষ চৌকস দল কক্সবাজারে অভিযান চালিয়ে তাকে হাতেনাতে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
পুলিশের বক্তব্য:
গ্রেফতারকৃত ইফতেখার অনিক দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের ইকুরিয়া সরদারপাড়া এলাকার মো. আলমগীর হোসেন আলমের ছেলে। তার বাবা ওই এলাকার স্থানীয় একটি মসজিদের পরিচালনা কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জামিলুল হক জানান, ধর্মীয় অনুভূতি ও সম্প্রীতি নষ্ট করার মতো যেকোনো উস্কানিমূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে। অনিককে গ্রেফতারের পর যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতে সোপর্দ করা হচ্ছে এবং আইন অনুযায়ী তার সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিতের পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এদিকে অনিক গ্রেফতার হওয়ার খবর তার নিজ এলাকা কেরানীগঞ্জে পৌঁছালে স্থানীয় মুসল্লি ও সাধারণ জনগণের মাঝে স্বস্তি নেমে আসে। তারা অবিলম্বে এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
স্টাফ রিপোর্টার, ঢাকা:
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এবং হযরত আয়েশা (রা.)-কে নিয়ে অত্যন্ত আপত্তিকর ও অবমাননাকর মন্তব্য করার অভিযোগে অভিযুক্ত যুবক ইফতেখার অনিককে (২৮) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আত্মগোপনে থাকা এই যুবককে কক্সবাজার জেলা থেকে গ্রেফতার করা হয়।
রোববার (৩০ আগস্ট ২০২৬) কেরানীগঞ্জ সার্কেল ও ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জামিলুল হক গ্রেফতারের বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন。
ঘটনার বিবরণ:
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কয়েক দিন আগে ইফতেখার অনিক তার ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে ইসলামের শেষ নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর শানে মারাত্মক কটূক্তিপূর্ণ একটি পোস্ট দেয়। পোস্টটি মুহূর্তেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। অনিকের এই ধৃষ্টতাপূর্ণ মন্তব্যের প্রতিবাদে ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের ইকুরিয়া ও সরদারপাড়া এলাকায় স্থানীয় মুসল্লিদের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা ও ব্যাপক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার অপরাধে অনিকের বিরুদ্ধে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়।
কক্সবাজারে আত্মগোপন ও গ্রেফতার:
মামলা হওয়ার পরপরই আইনি সাজা এবং জনগণের ক্ষোভ থেকে বাঁচতে অনিক নিজের এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায় এবং পর্যটন নগরী কক্সবাজারে গিয়ে আত্মগোপন করে। তবে শেষ রক্ষা হয়নি। তথ্যপ্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার এবং গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা পুলিশের একটি বিশেষ চৌকস দল কক্সবাজারে অভিযান চালিয়ে তাকে হাতেনাতে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
পুলিশের বক্তব্য:
গ্রেফতারকৃত ইফতেখার অনিক দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের ইকুরিয়া সরদারপাড়া এলাকার মো. আলমগীর হোসেন আলমের ছেলে। তার বাবা ওই এলাকার স্থানীয় একটি মসজিদের পরিচালনা কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জামিলুল হক জানান, ধর্মীয় অনুভূতি ও সম্প্রীতি নষ্ট করার মতো যেকোনো উস্কানিমূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে। অনিককে গ্রেফতারের পর যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতে সোপর্দ করা হচ্ছে এবং আইন অনুযায়ী তার সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিতের পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এদিকে অনিক গ্রেফতার হওয়ার খবর তার নিজ এলাকা কেরানীগঞ্জে পৌঁছালে স্থানীয় মুসল্লি ও সাধারণ জনগণের মাঝে স্বস্তি নেমে আসে। তারা অবিলম্বে এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।