সত্য ও জনস্বার্থের সংবাদ, প্রতিদিন
RAFA24 লোগো

বাংলা: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

ইংরেজি: Thursday, 30 July 2026

আরবি: الخميس، ٣٠ يوليو ٢٠٢٦

Header Left Advertisement (320x100)

Advertisement

Advertisement Software Development Service
জাতীয়

গুজব ছড়িয়ে শিক্ষককে মারধর, পরে জানা যায় অভিযুক্ত সম্পূর্ণ নির্দোষ!

MD. MAHDI HASAN প্রকাশ: 26 Jul 2026, 07:22 AM 170 views 2 min read
গুজব ছড়িয়ে শিক্ষককে মারধর, পরে জানা যায় অভিযুক্ত সম্পূর্ণ নির্দোষ!
বিশেষ প্রতিনিধি, হোসেনপুর (কিশোরগঞ্জ):
কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও স্থানীয় পর্যায়ে এক ধর্মীয় শিক্ষকের বিরুদ্ধে ওঠা অনৈতিক কাজের অভিযোগটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে প্রমাণিত হয়েছে। এক রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে ওই শিক্ষককে নির্মম শারীরিক লাঞ্ছনা ও সামাজিক অপদস্থতার মুখোমুখি হতে হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ ও স্থানীয় সচেতন সমাজ।
ঘটনার বিবরণ:
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত শিক্ষক আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে মেম্বার প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তাঁর এই সামাজিক জনপ্রিয়তা এবং সুনাম ক্ষুণ্ন করতে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিপক্ষ গ্রুপটি পরিকল্পিতভাবে একটি গুজব ছড়ায়। তারা দাবি করে, ওই শিক্ষক এক অপ্রাপ্তবয়স্ক ছেলের সাথে অনৈতিক কাজ করেছেন। এই মিথ্যা অপবাদের ওপর ভিত্তি করে কিছু অতিউৎসাহী লোক আইন নিজের হাতে তুলে নেয়। তারা ওই শিক্ষককে ঘেরাও করে মারধর করে এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে জোরপূর্বক ভিডিও ধারণ করে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়। পরবর্তীতে তাঁকে পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হয়।
তদন্ত ও সত্যতা উন্মোচন:
ঘটনার পর যে শিশুকে কেন্দ্র করে এই মিথ্যা প্রোপাগান্ডা ছড়ানো হয়েছিল, সেই শিশু এবং তার পরিবারের সদস্যরা স্বশরীরে থানায় হাজির হন। তারা লিখিত ও মৌখিকভাবে পুলিশকে জানান যে, ওই শিক্ষকের সাথে এমন কোনো অনাকাক্সিক্ষত ঘটনাই ঘটেনি। সম্পূর্ণ মিথ্যা অপবাদ দিয়ে শিক্ষকের ক্যারিয়ার এবং সামাজিক মর্যাদা ধ্বংস করতেই এই নাটক সাজানো হয়েছিল। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় এবং সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় পুলিশ ওই নির্দোষ শিক্ষককে সম্পূর্ণ সসম্মানে থানা থেকে মুক্তি দেয়।
আইনি পদক্ষেপের দাবি ও প্রতিক্রিয়া:
এই ঘটনার ফলো-আপ রিপোর্ট সামাজিক মাধ্যমে আসার পর থেকেই সচেতন মহলে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। নির্বাচনী প্রতিহিংসার জেরে একজন সম্মানিত শিক্ষককে এভাবে লাঞ্ছিত করার তীব্র নিন্দা জানিয়ে দোষীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি উঠছে। স্থানীয় প্রশাসন সাধারণ জনগণকে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেছে, সত্যতা নিশ্চিত না হয়ে কোনো ভিডিও বা তথ্য শেয়ার করা এবং আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া দণ্ডনীয় অপরাধ।

মন্তব্য (0)

আপনার মন্তব্য লিখুন

Footer Advertisement (970x90)