বাইতুল মোকাররম প্রতিষ্ঠায় শামসুল হক ফরিদপুরীর অবদান অনস্বীকার্য
Ibrahim Bin Rume
প্রকাশ: 25 Aug 2026, 12:17 AM
73 views
1 min read
বাইতুল মোকাররম প্রতিষ্ঠায় শামসুল হক ফরিদপুরীর অবদান অনস্বীকার্য
ঢাকা, ২৫ আগস্ট ২০২৬ (রাফা ২৪):
বাংলাদেশের জাতীয় মসজিদ বাইতুল মোকাররম স্থাপত্যশৈলী ও ধর্মীয় গাম্ভীর্যের দিক থেকে মুসলিম উম্মাহর এক অনন্য নিদর্শন। তবে এই ঐতিহাসিক মসজিদটি প্রতিষ্ঠার পেছনে যাদের অক্লান্ত শ্রম ও দূরদর্শী অবদান রয়েছে, তাদের মধ্যে অন্যতম শীর্ষ আলেমেদ্বীন, মুজাহিদে মিল্লাত হযরত মাওলানা শামসুল হক ফরিদপুরী (রহ.)।
সংশ্লিষ্ট ঐতিহাসিক তথ্যে জানা যায়, ১৯৫০-এর দশকে ঢাকার পল্টন এলাকায় একটি বড় ও আধুনিক মসজিদ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। তৎকালীন বাওয়ানী পরিবারের বিশিষ্ট শিল্পপতি লতিফ বাওয়ানী ও ইয়াহিয়া বাওয়ানী এই মসজিদ প্রতিষ্ঠার মূল পরিকল্পনা করলেও, এর ধর্মীয় ভিত্তি মজবুত করা এবং সর্বস্তরের মুসলমানদের এই মহৎ কাজে শামিল করার পেছনে মূল ভূমিকা পালন করেন তৎকালীন সময়ের শ্রেষ্ঠ বুজুর্গ ও ওলামায়ে কেরাম।
বিশেষ করে মাওলানা শামসুল হক ফরিদপুরী (রহ.) এই মসজিদ নির্মাণের পরিকল্পনা থেকে শুরু করে জায়গা নির্বাচন এবং নির্মাণকাজ বাস্তবায়নের প্রতিটি ধাপে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন। তার আধ্যাত্মিক দিকনির্দেশনা এবং সামাজিক প্রভাবের কারণেই তৎকালীন সময়ে ঢাকার বুকে এত বড় একটি দ্বীনি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়েছিল।
আজকের স্বাধীন বাংলাদেশে বাইতুল মোকাররম যখন কোটি কোটি মুসল্লির মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে, তখন এই মসজিদ প্রতিষ্ঠার ইতিহাসের সাথে মাওলানা শামসুল হক ফরিদপুরীর নাম ও তার অনন্য ত্যাগ গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
ঢাকা, ২৫ আগস্ট ২০২৬ (রাফা ২৪):
বাংলাদেশের জাতীয় মসজিদ বাইতুল মোকাররম স্থাপত্যশৈলী ও ধর্মীয় গাম্ভীর্যের দিক থেকে মুসলিম উম্মাহর এক অনন্য নিদর্শন। তবে এই ঐতিহাসিক মসজিদটি প্রতিষ্ঠার পেছনে যাদের অক্লান্ত শ্রম ও দূরদর্শী অবদান রয়েছে, তাদের মধ্যে অন্যতম শীর্ষ আলেমেদ্বীন, মুজাহিদে মিল্লাত হযরত মাওলানা শামসুল হক ফরিদপুরী (রহ.)।
সংশ্লিষ্ট ঐতিহাসিক তথ্যে জানা যায়, ১৯৫০-এর দশকে ঢাকার পল্টন এলাকায় একটি বড় ও আধুনিক মসজিদ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। তৎকালীন বাওয়ানী পরিবারের বিশিষ্ট শিল্পপতি লতিফ বাওয়ানী ও ইয়াহিয়া বাওয়ানী এই মসজিদ প্রতিষ্ঠার মূল পরিকল্পনা করলেও, এর ধর্মীয় ভিত্তি মজবুত করা এবং সর্বস্তরের মুসলমানদের এই মহৎ কাজে শামিল করার পেছনে মূল ভূমিকা পালন করেন তৎকালীন সময়ের শ্রেষ্ঠ বুজুর্গ ও ওলামায়ে কেরাম।
বিশেষ করে মাওলানা শামসুল হক ফরিদপুরী (রহ.) এই মসজিদ নির্মাণের পরিকল্পনা থেকে শুরু করে জায়গা নির্বাচন এবং নির্মাণকাজ বাস্তবায়নের প্রতিটি ধাপে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন। তার আধ্যাত্মিক দিকনির্দেশনা এবং সামাজিক প্রভাবের কারণেই তৎকালীন সময়ে ঢাকার বুকে এত বড় একটি দ্বীনি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়েছিল।
আজকের স্বাধীন বাংলাদেশে বাইতুল মোকাররম যখন কোটি কোটি মুসল্লির মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে, তখন এই মসজিদ প্রতিষ্ঠার ইতিহাসের সাথে মাওলানা শামসুল হক ফরিদপুরীর নাম ও তার অনন্য ত্যাগ গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।