আজকের এই দিনে আমরা হারিয়েছিলাম এক আনমোল রত্ন: স্মৃতিতে আল্লামা সাঈদী — মুফতী ইবরাহীম বিন রুমী
Ibrahim Bin Rume
প্রকাশ: 14 Aug 2026, 02:22 PM
90 views
2 min read
আজকের এই দিনে আমরা হারিয়েছিলাম এক আনমোল রত্ন: স্মৃতিতে আল্লামা সাঈদী
— মুফতী ইবরাহীম বিন রুমী
বিশেষ নিবন্ধ (রাফা ২৪):
সময় পেরিয়ে আজ ১৪ আগস্ট। দেখতে দেখতে তিনটি বছর কেটে গেল। ঠিক ২০২৩ সালের আজকের এই দিনটিতেই আমরা ইহজগতের বুক থেকে হারিয়েছিলাম দ্বীনের এক আনমোল রত্ন, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন মুফাসসিরে কুরআন আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে। ইসলামের ইতিহাসে প্রথাগতভাবে কোনো মৃত্যুবার্ষিকী পালনের বিধান বা সম্মতি নেই, আর তাই আমরা কোনো আনুষ্ঠানিকতায় বিশ্বাসী নই। কিন্তু একজন ঈমানদার ও শুভাকাঙ্ক্ষী হিসেবে, কুরআনের এই মহান খাদেমের স্মৃতি ও তার রেখে যাওয়া শূন্যতা আমাদের হৃদয়ে আজও গভীরভাবে অনুভুত হয়।
আজকের এই দিনে দেশ-বিদেশের লাখো ধর্মপ্রাণ মানুষ কোনো লৌকিকতা ছাড়াই নিভৃতে, অশ্রুসিক্ত নয়নে তাকে স্মরণ করছেন। তার সেই চিরচেনা সুমধুর কণ্ঠ, আকর্ষণীয় বাচনভঙ্গি এবং পবিত্র কুরআনের সাবলীল তাফসির আজও মানুষের হৃদয়ে ও কানে ভেসে বেড়ায়। বাংলার টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া—শীতের রাতে লাখ লাখ মানুষের সমাগমে মুখরিত হতো যার তাফসির মাহফিল, সেই তেজস্বী কণ্ঠ আজ স্তব্ধ। কিন্তু তার রেখে যাওয়া সেই কালজয়ী বয়ান, লিখিত বইসমূহ ও দিকনির্দেশনা আজও লাখ লাখ মানুষের মনকে আলোড়িত করে, তাদের সঠিক পথ দেখায়।
তিনি শুধু একজন বক্তা ছিলেন না, বরং সাধারণ মানুষের বোধগম্য ভাষায় ইসলামের মূল বাণী পৌঁছে দেওয়ার এক অনন্য কারিগর ছিলেন। সমসাময়িক ইসলামি অঙ্গনে তার এই বিদায় যে অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি করেছে, তা আজ প্রতি মুহূর্তে অনুভুত হয়। আজকের এই দিনে কোনো উৎসব বা প্রথাগত অনুষ্ঠান নয়, বরং আমাদের হৃদয়ের মণিকোঠায় থাকা এই রত্নের জন্য আল্লাহর দরবারে অন্তরের অন্তস্তল থেকে গভীর দোয়া ও মাগফিরাত কামনা করছি। আল্লাহ তায়ালা মরহুমকে জান্নাতুল ফেরদাউসের সুউচ্চ মাকাম দান করুন। আমীন।
— মুফতী ইবরাহীম বিন রুমী
বিশেষ নিবন্ধ (রাফা ২৪):
সময় পেরিয়ে আজ ১৪ আগস্ট। দেখতে দেখতে তিনটি বছর কেটে গেল। ঠিক ২০২৩ সালের আজকের এই দিনটিতেই আমরা ইহজগতের বুক থেকে হারিয়েছিলাম দ্বীনের এক আনমোল রত্ন, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন মুফাসসিরে কুরআন আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে। ইসলামের ইতিহাসে প্রথাগতভাবে কোনো মৃত্যুবার্ষিকী পালনের বিধান বা সম্মতি নেই, আর তাই আমরা কোনো আনুষ্ঠানিকতায় বিশ্বাসী নই। কিন্তু একজন ঈমানদার ও শুভাকাঙ্ক্ষী হিসেবে, কুরআনের এই মহান খাদেমের স্মৃতি ও তার রেখে যাওয়া শূন্যতা আমাদের হৃদয়ে আজও গভীরভাবে অনুভুত হয়।
আজকের এই দিনে দেশ-বিদেশের লাখো ধর্মপ্রাণ মানুষ কোনো লৌকিকতা ছাড়াই নিভৃতে, অশ্রুসিক্ত নয়নে তাকে স্মরণ করছেন। তার সেই চিরচেনা সুমধুর কণ্ঠ, আকর্ষণীয় বাচনভঙ্গি এবং পবিত্র কুরআনের সাবলীল তাফসির আজও মানুষের হৃদয়ে ও কানে ভেসে বেড়ায়। বাংলার টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া—শীতের রাতে লাখ লাখ মানুষের সমাগমে মুখরিত হতো যার তাফসির মাহফিল, সেই তেজস্বী কণ্ঠ আজ স্তব্ধ। কিন্তু তার রেখে যাওয়া সেই কালজয়ী বয়ান, লিখিত বইসমূহ ও দিকনির্দেশনা আজও লাখ লাখ মানুষের মনকে আলোড়িত করে, তাদের সঠিক পথ দেখায়।
তিনি শুধু একজন বক্তা ছিলেন না, বরং সাধারণ মানুষের বোধগম্য ভাষায় ইসলামের মূল বাণী পৌঁছে দেওয়ার এক অনন্য কারিগর ছিলেন। সমসাময়িক ইসলামি অঙ্গনে তার এই বিদায় যে অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি করেছে, তা আজ প্রতি মুহূর্তে অনুভুত হয়। আজকের এই দিনে কোনো উৎসব বা প্রথাগত অনুষ্ঠান নয়, বরং আমাদের হৃদয়ের মণিকোঠায় থাকা এই রত্নের জন্য আল্লাহর দরবারে অন্তরের অন্তস্তল থেকে গভীর দোয়া ও মাগফিরাত কামনা করছি। আল্লাহ তায়ালা মরহুমকে জান্নাতুল ফেরদাউসের সুউচ্চ মাকাম দান করুন। আমীন।