উগ্রবাদী আরএসএসের অনুষ্ঠানে সাইফুদ্দীন মাইজভাণ্ডারী
Ibrahim Bin Rume
প্রকাশ: 01 Sep 2026, 12:01 PM
17 views
1 min read
উগ্রবাদী আরএসএসের অনুষ্ঠানে সাইফুদ্দীন মাইজভাণ্ডারী
ঢাকা: ভারতের উগ্র হিন্দুত্ববাদী সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) এক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন বাংলাদেশের সুফি নেতা ও তরীকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ মাইজভাণ্ডারী। আরএসএসের একটি উচ্চপর্যায়ের সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে তাঁর উপস্থিত থাকার একটি ছবি প্রকাশ্যে আসার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে তীব্র সমালোচনা ও বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।
প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, আরএসএসের শীর্ষ নেতা মোহন ভাগবতের সাথে একই ফ্রেমে উপস্থিত রয়েছেন সাইফুদ্দীন মাইজভাণ্ডারী। যেখানে আরএসএসকে একটি চরমপন্থী ও মুসলিম বিদ্বেষী সংগঠন হিসেবে বিবেচনা করা হয়, সেখানে বাংলাদেশের একজন শীর্ষস্থানীয় সুফি ব্যক্তিত্বের এমন অংশগ্রহণ দেশের ধর্মপ্রাণ মানুষকে ক্ষুব্ধ ও বিস্মিত করেছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, আরএসএস দীর্ঘদিন ধরে ভারতে বিতর্কিত হিন্দুত্ববাদী এজেন্ডা বাস্তবায়নে কাজ করে আসছে। এমন একটি সংগঠনের প্রকাশ্য অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের কোনো রাজনৈতিক বা ধর্মীয় নেতার অংশগ্রহণ দুই দেশের ধর্মীয় সম্প্রীতির ক্ষেত্রে নেতিবাচক বার্তা দিতে পারে। তবে এই সফরের সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্য বা এ বিষয়ে সাইফুদ্দীন মাইজভাণ্ডারীর কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনও পাওয়া যায়নি।
ঢাকা: ভারতের উগ্র হিন্দুত্ববাদী সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) এক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন বাংলাদেশের সুফি নেতা ও তরীকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ মাইজভাণ্ডারী। আরএসএসের একটি উচ্চপর্যায়ের সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে তাঁর উপস্থিত থাকার একটি ছবি প্রকাশ্যে আসার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে তীব্র সমালোচনা ও বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।
প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, আরএসএসের শীর্ষ নেতা মোহন ভাগবতের সাথে একই ফ্রেমে উপস্থিত রয়েছেন সাইফুদ্দীন মাইজভাণ্ডারী। যেখানে আরএসএসকে একটি চরমপন্থী ও মুসলিম বিদ্বেষী সংগঠন হিসেবে বিবেচনা করা হয়, সেখানে বাংলাদেশের একজন শীর্ষস্থানীয় সুফি ব্যক্তিত্বের এমন অংশগ্রহণ দেশের ধর্মপ্রাণ মানুষকে ক্ষুব্ধ ও বিস্মিত করেছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, আরএসএস দীর্ঘদিন ধরে ভারতে বিতর্কিত হিন্দুত্ববাদী এজেন্ডা বাস্তবায়নে কাজ করে আসছে। এমন একটি সংগঠনের প্রকাশ্য অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের কোনো রাজনৈতিক বা ধর্মীয় নেতার অংশগ্রহণ দুই দেশের ধর্মীয় সম্প্রীতির ক্ষেত্রে নেতিবাচক বার্তা দিতে পারে। তবে এই সফরের সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্য বা এ বিষয়ে সাইফুদ্দীন মাইজভাণ্ডারীর কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনও পাওয়া যায়নি।