সত্য ও জনস্বার্থের সংবাদ, প্রতিদিন
RAFA24 লোগো

বাংলা: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইংরেজি: Saturday, 05 September 2026

আরবি: السبت، ٥ سبتمبر ٢٠٢٦

Header Left Advertisement (320x100)
Advertisement Software Development Service
আন্তর্জাতিক

ধর্মীয় স্থানে মাইক খোলা বিতর্ক: কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা খারিজ

Ibrahim Bin Rume প্রকাশ: 22 Aug 2026, 07:20 AM 29 views 2 min read
ধর্মীয় স্থানে মাইক খোলা বিতর্ক: কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা খারিজ
ধর্মীয় স্থানে মাইক খোলা বিতর্ক: কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা খারিজ
অনলাইন ডেস্ক (রাফা ২৪): পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বিভিন্ন মসজিদ ও মন্দিরসহ অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয় থেকে লাউডস্পিকার ও মাইক সরানোর বিরুদ্ধে দায়ের করা একটি জনস্বার্থ মামলা (PIL) খারিজ করে দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। আদালতের ডিভিশন বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়েছে, পুলিশের কোনো লিখিত আদেশ ছাড়াই কেবল মৌখিক নির্দেশের ওপর ভিত্তি করে আনা এই মামলার অভিযোগগুলো অস্পষ্ট এবং এতে সুনির্দিষ্ট তথ্যের অভাব রয়েছে।
আদালতের পর্যবেক্ষণ ও শুনানি:
ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী এবং বিচারপতি অতরুপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হয়। মামলাকারীর পক্ষে প্রবীণ আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় সওয়াল করেন যে, পুলিশ কোনো আইনি নোটিস বা লিখিত আদেশ ছাড়াই মৌখিকভাবে নির্দেশ দিয়ে প্রায় ৪,০০০ মসজিদ থেকে লাউডস্পিকার বা মাইক সরিয়ে দিচ্ছে, যা প্রাকৃতিক ন্যায়বিচারের পরিপন্থী।
তবে রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল আদালতের সামনে দাবি করেন, প্রশাসনের পক্ষ থেকে এমন কোনো বাধ্যতামূলক বা জবরদস্তিমূলক ওরাল অর্ডার (মৌখিক নির্দেশ) দেওয়া হয়নি। আদালত উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে পর্যবেক্ষণ করে যে, সংবাদপত্রের প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে এবং সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণ ছাড়া এই ধরণের সাংবিধানিক এক্তিয়ারে হস্তক্ষেপ করা সম্ভব নয়। ফলে মামলার গ্রহণযোগ্যতা না থাকায় তা সরাসরি খারিজ করে দেওয়া হয়।
আইনজীবীর বক্তব্য:
মামলা খারিজের পর আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় সংবাদমাধ্যমকে জানান, "আদালত স্পষ্ট করেছে যে আইনি নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত ডেসিবল (শব্দসীমা) মেনেই আজান বা ধর্মীয় আচার চলবে। পুলিশ মৌখিকভাবে বললেই মাইক খোলার কোনো বাধ্যবাধকতা নেই, কারণ মৌখিক নির্দেশের আইনি কোনো প্রমাণ থাকে না।"
প্রশাসনের অবস্থান:
উল্লেখ্য, শব্দদূষণ সংক্রান্ত আদালতের পুরনো নির্দেশিকা ও আইন কঠোরভাবে কার্যকর করার অংশ হিসেবে রাজ্যজুড়ে এই বিশেষ অভিযান চালানো হচ্ছে। সরকারি সূত্র মতে, কোনো নির্দিষ্ট সম্প্রদায়কে লক্ষ্য করে নয়, বরং আইন মেনে সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেই অভিন্ন শব্দবিধি প্রয়োগের নীতি বজায় রাখা হচ্ছে।

মন্তব্য (0)

আপনার মন্তব্য লিখুন

Footer Advertisement (970x90)