জর্ডানে ২ মার্কিন বিমানঘাঁটিতে ইরানের ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির দাবি
Ibrahim Bin Rume
প্রকাশ: 31 Aug 2026, 09:14 AM
38 views
2 min read
জর্ডানে ২ মার্কিন বিমানঘাঁটিতে ইরানের ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির দাবি
আন্তর্জাতিক ডেস্ক, রাফা ২৪
মধ্যপ্রাচ্যে তীব্র উত্তেজনার পারদ আরও উস্কে দিয়ে জর্ডানে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে বড় ধরনের পাল্টা হামলা চালিয়েছে ইরান। রোববার রাতে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) জর্ডানের দুটি গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন বিমানঘাঁটিতে একযোগে এই ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়।
আইআরজিসির তরফ থেকে জানানো হয়েছে, জর্ডানের ‘কিং হুসেইন’ এবং ‘আল-আজরাক’ বিমানঘাঁটি লক্ষ্য করে এই যৌথ অভিযান চালানো হয়। তাদের অ্যারোস্পেস ফোর্সের দাবি, হামলায় মার্কিন বিমানঘাঁটি দুটির কারিগরি ও রক্ষণাবেক্ষণ অবকাঠামো এবং যুদ্ধবিমান রাখার হ্যাঙ্গার এলাকায় নিখুঁতভাবে আঘাত হানা হয়েছে, যার ফলে সেখানে "ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি" হয়েছে।
মার্কিন হামলার প্রতিশোধ:
ইরানি গণমাধ্যম ও সামরিক সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, এই হামলা মূলত যুক্তরাষ্ট্রের একটি অভিযানের সরাসরি পাল্টা জবাব। এর আগে রবিবার দিনের শুরুতে হরমুজ প্রণালির কৌশলগত লারাক দ্বীপে ইরানি লক্ষ্যবস্তুতে বোমাবর্ষণ করে মার্কিন বাহিনী। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি ছিল, সেখান থেকে সমুদ্র-মাইন বহনকারী রকেট ছোড়ার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছিল। মার্কিন ওই হামলায় বেশ কয়েকজন ইরানি সেনা ও বেসামরিক নাগরিক হতাহত হওয়ার পর তেহরান দ্রুত এই প্রতিশোধমূলক পাল্টা হামলা নিশ্চিত করে।
জর্ডান ও মার্কিন প্রতিক্রিয়া:
এদিকে জর্ডান সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করে জর্ডানের আকাশসীমায় প্রবেশ করা আটটি ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে। তবে মার্কিন ঘাঁটিতে হওয়া ক্ষয়ক্ষতি কিংবা হতাহতের সুনির্দিষ্ট পরিসংখ্যান নিয়ে এখনো ওয়াশিংটন বা পেন্টাগনের আনুষ্ঠানিক কোনো পূর্ণাঙ্গ মূল্যায়ন পাওয়া যায়নি।
আইআরজিসি এক কড়া হুঁশিয়ারিতে জানিয়েছে, ভবিষ্যতে ইরানের ভূখণ্ডে বা স্বার্থে আঘাত করা হলে এর চেয়েও কয়েক গুণ শক্তিশালী এবং বিধ্বংসী প্রতিক্রিয়া দেখাবে তেহরান।
চলতি বছরের শুরু থেকেই দুই দেশের মধ্যে নতুন করে ছায়াযুদ্ধ ও পাল্টাপাল্টি হামলা বৃদ্ধি পেয়েছে। জুনে কাতার ও পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় একটি যুদ্ধবিরতির খসড়া চুক্তি সম্পন্ন হলেও, জুলাইয়ে হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন নৌ-অবরোধের জেরে পরিস্থিতি আবারও যুদ্ধাবস্থায় রূপ নেয়। সর্বশেষ এই বিমানঘাঁটিতে হামলা মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিকে এক চরম অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিল বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক, রাফা ২৪
মধ্যপ্রাচ্যে তীব্র উত্তেজনার পারদ আরও উস্কে দিয়ে জর্ডানে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে বড় ধরনের পাল্টা হামলা চালিয়েছে ইরান। রোববার রাতে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) জর্ডানের দুটি গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন বিমানঘাঁটিতে একযোগে এই ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়।
আইআরজিসির তরফ থেকে জানানো হয়েছে, জর্ডানের ‘কিং হুসেইন’ এবং ‘আল-আজরাক’ বিমানঘাঁটি লক্ষ্য করে এই যৌথ অভিযান চালানো হয়। তাদের অ্যারোস্পেস ফোর্সের দাবি, হামলায় মার্কিন বিমানঘাঁটি দুটির কারিগরি ও রক্ষণাবেক্ষণ অবকাঠামো এবং যুদ্ধবিমান রাখার হ্যাঙ্গার এলাকায় নিখুঁতভাবে আঘাত হানা হয়েছে, যার ফলে সেখানে "ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি" হয়েছে।
মার্কিন হামলার প্রতিশোধ:
ইরানি গণমাধ্যম ও সামরিক সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, এই হামলা মূলত যুক্তরাষ্ট্রের একটি অভিযানের সরাসরি পাল্টা জবাব। এর আগে রবিবার দিনের শুরুতে হরমুজ প্রণালির কৌশলগত লারাক দ্বীপে ইরানি লক্ষ্যবস্তুতে বোমাবর্ষণ করে মার্কিন বাহিনী। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি ছিল, সেখান থেকে সমুদ্র-মাইন বহনকারী রকেট ছোড়ার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছিল। মার্কিন ওই হামলায় বেশ কয়েকজন ইরানি সেনা ও বেসামরিক নাগরিক হতাহত হওয়ার পর তেহরান দ্রুত এই প্রতিশোধমূলক পাল্টা হামলা নিশ্চিত করে।
জর্ডান ও মার্কিন প্রতিক্রিয়া:
এদিকে জর্ডান সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করে জর্ডানের আকাশসীমায় প্রবেশ করা আটটি ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে। তবে মার্কিন ঘাঁটিতে হওয়া ক্ষয়ক্ষতি কিংবা হতাহতের সুনির্দিষ্ট পরিসংখ্যান নিয়ে এখনো ওয়াশিংটন বা পেন্টাগনের আনুষ্ঠানিক কোনো পূর্ণাঙ্গ মূল্যায়ন পাওয়া যায়নি।
আইআরজিসি এক কড়া হুঁশিয়ারিতে জানিয়েছে, ভবিষ্যতে ইরানের ভূখণ্ডে বা স্বার্থে আঘাত করা হলে এর চেয়েও কয়েক গুণ শক্তিশালী এবং বিধ্বংসী প্রতিক্রিয়া দেখাবে তেহরান।
চলতি বছরের শুরু থেকেই দুই দেশের মধ্যে নতুন করে ছায়াযুদ্ধ ও পাল্টাপাল্টি হামলা বৃদ্ধি পেয়েছে। জুনে কাতার ও পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় একটি যুদ্ধবিরতির খসড়া চুক্তি সম্পন্ন হলেও, জুলাইয়ে হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন নৌ-অবরোধের জেরে পরিস্থিতি আবারও যুদ্ধাবস্থায় রূপ নেয়। সর্বশেষ এই বিমানঘাঁটিতে হামলা মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিকে এক চরম অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিল বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।