তেলের দাম কমই ছিল, পাচারের ঝুঁকি ঠেকাতে বাড়ানো হয়েছে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী
Ibrahim Bin Rume
প্রকাশ: 21 Sep 2026, 09:54 PM
158 views
2 min read
তেলের দাম কমই ছিল, পাচারের ঝুঁকি ঠেকাতে বাড়ানো হয়েছে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক, রাফা২৪
প্রতিবেশী দেশগুলোতে জ্বালানি পাচারের তীব্র ঝুঁকি এড়াতে এবং দেশের অর্থনৈতিক ভারসাম্য বজায় রাখতেই মূলত তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী। আন্তর্জাতিক বাজারের তুলনায় দেশে দাম অনেক কম থাকায় এই চোরাচালানের আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন।
আজ সোমবার সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী বর্তমান পরিস্থিতি ও মূল্য সমন্বয়ের কারণ ব্যাখ্যা করেন। আরটিভি অনলাইনের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী বলেন, "আমাদের দেশে জ্বালানি তেলের দাম আশেপাশের দেশগুলোর চেয়ে বেশ কম ছিল। এই কম দামের সুযোগ নিয়ে একটি বড় অংশ সীমান্ত দিয়ে পাচার হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়। জনগণের করের টাকায় কেনা জ্বালানি যেন বাইরে পাচার না হতে পারে, সেই সুরক্ষাকবচ হিসেবেই এই সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।"
তিনি আরও জানান, বিশ্ববাজারে দীর্ঘদিন ধরে জ্বালানি তেলের ঊর্ধ্বগতি এবং ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়নের কারণে সরকারের ওপর ভর্তুকির চাপ তীব্র হচ্ছিল। এই পরিস্থিতিতে দাম না বাড়ালে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি, বিশেষ করে সামাজিক নিরাপত্তা খাতের ওপর বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা ছিল।
প্রতিমন্ত্রী স্পষ্ট করেন যে, সরকারের মূল লক্ষ্য সাধারণ মানুষকে সংকটে ফেলা নয়, বরং রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় ও পাচার রোধ করা। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমলে দেশের বাজারেও তা পুনর্মূল্যায়ন করা হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক, রাফা২৪
প্রতিবেশী দেশগুলোতে জ্বালানি পাচারের তীব্র ঝুঁকি এড়াতে এবং দেশের অর্থনৈতিক ভারসাম্য বজায় রাখতেই মূলত তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী। আন্তর্জাতিক বাজারের তুলনায় দেশে দাম অনেক কম থাকায় এই চোরাচালানের আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন।
আজ সোমবার সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী বর্তমান পরিস্থিতি ও মূল্য সমন্বয়ের কারণ ব্যাখ্যা করেন। আরটিভি অনলাইনের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী বলেন, "আমাদের দেশে জ্বালানি তেলের দাম আশেপাশের দেশগুলোর চেয়ে বেশ কম ছিল। এই কম দামের সুযোগ নিয়ে একটি বড় অংশ সীমান্ত দিয়ে পাচার হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়। জনগণের করের টাকায় কেনা জ্বালানি যেন বাইরে পাচার না হতে পারে, সেই সুরক্ষাকবচ হিসেবেই এই সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।"
তিনি আরও জানান, বিশ্ববাজারে দীর্ঘদিন ধরে জ্বালানি তেলের ঊর্ধ্বগতি এবং ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়নের কারণে সরকারের ওপর ভর্তুকির চাপ তীব্র হচ্ছিল। এই পরিস্থিতিতে দাম না বাড়ালে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি, বিশেষ করে সামাজিক নিরাপত্তা খাতের ওপর বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা ছিল।
প্রতিমন্ত্রী স্পষ্ট করেন যে, সরকারের মূল লক্ষ্য সাধারণ মানুষকে সংকটে ফেলা নয়, বরং রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় ও পাচার রোধ করা। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমলে দেশের বাজারেও তা পুনর্মূল্যায়ন করা হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।