শিক্ষকদের টিকটক করার অনুমোদন দিলেন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ!’— অবসরের বিনোদন নিয়ে নতুন বার্তা
Ibrahim Bin Rume
প্রকাশ: 20 Sep 2026, 08:58 AM
83 views
2 min read
শিক্ষকদের টিকটক করার অনুমোদন দিলেন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ!’— অবসরের বিনোদন নিয়ে নতুন বার্তা
অনলাইন ডেস্ক, Rafa24:
বিদ্যালয় বা শ্রেণিকক্ষের বাইরে শিক্ষকরা টিকটক ভিডিও তৈরি করতে পারবেন কি না, তা নিয়ে তৈরি হওয়া দীর্ঘদিনের জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়েছেন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। অবসর সময়ে শিক্ষকদের টিকটক বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের বিষয়টি সম্পূর্ণ তাদের ব্যক্তিগত স্বাধীনতা বলে অনুমোদন ও স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন তিনি। ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এই মন্তব্য করেন।
প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, “যেহেতু দেশে একটি গণতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান, তাই আপনার ফ্রি টাইমে (অবসর সময়ে) আপনি কী করবেন, সেটি সম্পূর্ণ আপনার নিজস্ব ব্যাপার। রাষ্ট্র এখানে কোনো হস্তক্ষেপ করবে না।”
টিকটক করা বা না করাকে সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত রুচির ওপর ছেড়ে দিয়ে তিনি আরও যোগ করেন, “ব্যক্তিগতভাবে আমি হয়তো টিকটক করি না বা পছন্দ করি না, কিংবা মনে করি এটি আমার মর্যাদার সাথে যায় না—সেটি আমার একান্তই ব্যক্তিগত দৃষ্টিভঙ্গি। কিন্তু অন্য কেউ তার অবসর সময়ে কী করবেন, তা চাপিয়ে দেওয়া যায় না।”
তবে ব্যক্তিগত সময়ে টিকটক করার অবারিত সুযোগ থাকলেও বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে শৃঙ্খলার বিষয়টি মাথায় রাখার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। প্রতিমন্ত্রী জানান, কোনো নির্দিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যদি মনে করে তাদের অ্যাকাডেমিক পরিবেশ বজায় রাখতে শ্রেণিকক্ষে বা স্কুল প্রাঙ্গণে টিকটক নিষিদ্ধ করা প্রয়োজন, তবে সেই প্রতিষ্ঠান তাদের অভ্যন্তরীণ নিয়ম তৈরি করতে পারবে।
অনলাইন ডেস্ক, Rafa24:
বিদ্যালয় বা শ্রেণিকক্ষের বাইরে শিক্ষকরা টিকটক ভিডিও তৈরি করতে পারবেন কি না, তা নিয়ে তৈরি হওয়া দীর্ঘদিনের জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়েছেন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। অবসর সময়ে শিক্ষকদের টিকটক বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের বিষয়টি সম্পূর্ণ তাদের ব্যক্তিগত স্বাধীনতা বলে অনুমোদন ও স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন তিনি। ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এই মন্তব্য করেন।
প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, “যেহেতু দেশে একটি গণতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান, তাই আপনার ফ্রি টাইমে (অবসর সময়ে) আপনি কী করবেন, সেটি সম্পূর্ণ আপনার নিজস্ব ব্যাপার। রাষ্ট্র এখানে কোনো হস্তক্ষেপ করবে না।”
টিকটক করা বা না করাকে সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত রুচির ওপর ছেড়ে দিয়ে তিনি আরও যোগ করেন, “ব্যক্তিগতভাবে আমি হয়তো টিকটক করি না বা পছন্দ করি না, কিংবা মনে করি এটি আমার মর্যাদার সাথে যায় না—সেটি আমার একান্তই ব্যক্তিগত দৃষ্টিভঙ্গি। কিন্তু অন্য কেউ তার অবসর সময়ে কী করবেন, তা চাপিয়ে দেওয়া যায় না।”
তবে ব্যক্তিগত সময়ে টিকটক করার অবারিত সুযোগ থাকলেও বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে শৃঙ্খলার বিষয়টি মাথায় রাখার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। প্রতিমন্ত্রী জানান, কোনো নির্দিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যদি মনে করে তাদের অ্যাকাডেমিক পরিবেশ বজায় রাখতে শ্রেণিকক্ষে বা স্কুল প্রাঙ্গণে টিকটক নিষিদ্ধ করা প্রয়োজন, তবে সেই প্রতিষ্ঠান তাদের অভ্যন্তরীণ নিয়ম তৈরি করতে পারবে।