রাখাইনে নিরাপত্তা ফিরলে ৩ লাখ ৯ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নিতে রাজি মিয়ানমার
Ibrahim Bin Rume
প্রকাশ: 18 Aug 2026, 12:10 AM
32 views
2 min read
রাখাইনে নিরাপত্তা ফিরলে ৩ লাখ ৯ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নিতে রাজি মিয়ানমার
আন্তর্জাতিক ডেস্ক (রাফা ২৪):
বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া প্রায় ৩ লাখ ৮ হাজার ৯৭৫ জন (প্রায় ৩ লাখ ৯ হাজার) রোহিঙ্গাকে রাখাইন রাজ্যের সাবেক বাসিন্দা হিসেবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিয়েছে মিয়ানমার। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, রাখাইনের নিরাপত্তা পরিস্থিতির পর্যাপ্ত উন্নতি হলে এই নিবন্ধিত রোহিঙ্গাদের ধাপে ধাপে নিজ দেশে ফিরিয়ে নেওয়া হবে।
মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত ৩১ জুলাই পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে মোট ৮ লাখ ২৮ হাজার ৮২৪ জন রোহিঙ্গার একটি তালিকা যাচাই-বাছাইয়ের জন্য পাঠানো হয়েছিল। সেই তালিকা থেকে প্রথম ধাপে ৩ লাখ ৮ হাজার ৯৭৫ জনকে মিয়ানমারের সাবেক বাসিন্দা হিসেবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে। তবে তালিকায় থাকা ৪ হাজার ২৪১ জনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ এনেছে মিয়ানমার সামরিক জান্তা এবং আরও ১ লাখ ১৩ হাজার ৫০৭ জনের পরিচয় নিশ্চিত করা যায়নি বলে দাবি করেছে তারা।
প্রত্যাবাসনে মূল বাধা চলমান সংঘাত:
মিয়ানমার সরকার নীতিগতভাবে এই ৩ লাখ ৯ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নিতে রাজি হলেও, এখনই কোনো প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে না। বর্তমানে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে দেশটির সরকারি সেনাবাহিনী এবং সশস্ত্র গোষ্ঠী 'আরাকান আর্মি'র (AA) মধ্যে তীব্র গৃহযুদ্ধ চলছে। রাখাইনের সিংহভাগ অঞ্চল এখন আরাকান আর্মির নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ফলে সেখানকার সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও নিরাপদ না হওয়া পর্যন্ত এই বিশাল জনগোষ্ঠীর প্রত্যাবাসন বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয় বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে মিয়ানমার প্রশাসন।
উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর ভয়াবহ জাতিগত নিধনের মুখে জীবন বাঁচাতে প্রায় ৭ লাখ ৪ হাজারেরও বেশি রোহিঙ্গা সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। সব মিলিয়ে বর্তমানে বাংলাদেশের কক্সবাজার ও ভাসানচরের শরণার্থী শিবিরগুলোতে ১৩ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বসবাস করছে। বাংলাদেশ শুরু থেকেই আন্তর্জাতিক নিয়ম মেনে নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও স্বেচ্ছায় রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের পক্ষে জোরালো দাবি জানিয়ে আসছে। তবে নাগরিকত্ব এবং শতভাগ নিরাপত্তার গ্যারান্টি না পাওয়ায় এর আগে ২০১৮ ও ২০১৯ সালের দুটি দ্বিপাক্ষিক প্রত্যাবাসন উদ্যোগ পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছিল।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক (রাফা ২৪):
বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া প্রায় ৩ লাখ ৮ হাজার ৯৭৫ জন (প্রায় ৩ লাখ ৯ হাজার) রোহিঙ্গাকে রাখাইন রাজ্যের সাবেক বাসিন্দা হিসেবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিয়েছে মিয়ানমার। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, রাখাইনের নিরাপত্তা পরিস্থিতির পর্যাপ্ত উন্নতি হলে এই নিবন্ধিত রোহিঙ্গাদের ধাপে ধাপে নিজ দেশে ফিরিয়ে নেওয়া হবে।
মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত ৩১ জুলাই পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে মোট ৮ লাখ ২৮ হাজার ৮২৪ জন রোহিঙ্গার একটি তালিকা যাচাই-বাছাইয়ের জন্য পাঠানো হয়েছিল। সেই তালিকা থেকে প্রথম ধাপে ৩ লাখ ৮ হাজার ৯৭৫ জনকে মিয়ানমারের সাবেক বাসিন্দা হিসেবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে। তবে তালিকায় থাকা ৪ হাজার ২৪১ জনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ এনেছে মিয়ানমার সামরিক জান্তা এবং আরও ১ লাখ ১৩ হাজার ৫০৭ জনের পরিচয় নিশ্চিত করা যায়নি বলে দাবি করেছে তারা।
প্রত্যাবাসনে মূল বাধা চলমান সংঘাত:
মিয়ানমার সরকার নীতিগতভাবে এই ৩ লাখ ৯ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নিতে রাজি হলেও, এখনই কোনো প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে না। বর্তমানে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে দেশটির সরকারি সেনাবাহিনী এবং সশস্ত্র গোষ্ঠী 'আরাকান আর্মি'র (AA) মধ্যে তীব্র গৃহযুদ্ধ চলছে। রাখাইনের সিংহভাগ অঞ্চল এখন আরাকান আর্মির নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ফলে সেখানকার সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও নিরাপদ না হওয়া পর্যন্ত এই বিশাল জনগোষ্ঠীর প্রত্যাবাসন বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয় বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে মিয়ানমার প্রশাসন।
উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর ভয়াবহ জাতিগত নিধনের মুখে জীবন বাঁচাতে প্রায় ৭ লাখ ৪ হাজারেরও বেশি রোহিঙ্গা সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। সব মিলিয়ে বর্তমানে বাংলাদেশের কক্সবাজার ও ভাসানচরের শরণার্থী শিবিরগুলোতে ১৩ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বসবাস করছে। বাংলাদেশ শুরু থেকেই আন্তর্জাতিক নিয়ম মেনে নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও স্বেচ্ছায় রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের পক্ষে জোরালো দাবি জানিয়ে আসছে। তবে নাগরিকত্ব এবং শতভাগ নিরাপত্তার গ্যারান্টি না পাওয়ায় এর আগে ২০১৮ ও ২০১৯ সালের দুটি দ্বিপাক্ষিক প্রত্যাবাসন উদ্যোগ পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছিল।