মানিকনগরে শিরক বিরোধী বয়ান করায় ইমামকে মারধরের অভিযোগ: সুষ্ঠু বিচারের দাবি খেলাফত মজলিসের
Ibrahim Bin Rume
প্রকাশ: 27 Sep 2026, 08:47 PM
104 views
2 min read
মানিকনগরে শিরক বিরোধী বয়ান করায় ইমামকে মারধরের অভিযোগ: সুষ্ঠু বিচারের দাবি খেলাফত মজলিসের
নগরকান্দা প্রতিনিধি:
গত ২৫ সেপ্টেম্বর, শুক্রবার ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার তালমা ইউনিয়নের মানিকদী গ্রামের একটি মসজিদের ইমামকে জুমার নামাজ শেষে মসজিদ থেকে বের হওয়ার সময় মারধরের অভিযোগ উঠেছে। একই সময় ওই ইমামের সঙ্গে থাকা একজন মুসল্লিকেও মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়রা।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই দিন জুমার খুতবায় ইমাম সাহেব শিরকের বিষয়ে আলোচনা করেন। জুমার নামাজ শেষে মসজিদ থেকে বের হওয়ার সময় একদল ব্যক্তির সঙ্গে তার কথা কাটাকাটি হয় এবং একপর্যায়ে তাকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, পরিস্থিতি থেকে আত্মরক্ষার জন্য ইমাম সাহেব একটি ঘরে আশ্রয় নিলে সেখানেও কয়েকজন ব্যক্তি তাকে মারধরের উদ্দেশ্যে এগিয়ে আসে এবং প্রাণনাশের হুমকি দেয়।
ঘটনার সার্বিক খোঁজখবর নিতে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিসের নেতাকর্মীরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তারা ভুক্তভোগী ইমাম, মুসল্লি ও স্থানীয় এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে ঘটনার বিস্তারিত জানার চেষ্টা করেন।
এ সময় সংগঠন দুটির নেতৃবৃন্দ অভিযোগের বিষয়ে তীব্র নিন্দা জানান এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের আইনের আওতায় এনে যথাযথ বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানান।
নেতৃবৃন্দ বলেন, কোনো ধর্মীয় বিষয়ে মতপার্থক্য বা বক্তব্যের কারণে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া উচিত নয়। কোনো অভিযোগ থাকলে তা আইনগত ও শান্তিপূর্ণ উপায়ে সমাধান করা উচিত।
ভুক্তভোগী ইমাম সাহেব ও এলাকাবাসীর সঙ্গে নিয়ে ঘটনার সুষ্ঠু বিচার এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ও শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি গ্রহণের কথাও জানান বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিসের নেতৃবৃন্দ।
এদিকে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, ভুক্তভোগীর নিরাপত্তা এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।
নগরকান্দা প্রতিনিধি:
গত ২৫ সেপ্টেম্বর, শুক্রবার ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার তালমা ইউনিয়নের মানিকদী গ্রামের একটি মসজিদের ইমামকে জুমার নামাজ শেষে মসজিদ থেকে বের হওয়ার সময় মারধরের অভিযোগ উঠেছে। একই সময় ওই ইমামের সঙ্গে থাকা একজন মুসল্লিকেও মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়রা।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই দিন জুমার খুতবায় ইমাম সাহেব শিরকের বিষয়ে আলোচনা করেন। জুমার নামাজ শেষে মসজিদ থেকে বের হওয়ার সময় একদল ব্যক্তির সঙ্গে তার কথা কাটাকাটি হয় এবং একপর্যায়ে তাকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, পরিস্থিতি থেকে আত্মরক্ষার জন্য ইমাম সাহেব একটি ঘরে আশ্রয় নিলে সেখানেও কয়েকজন ব্যক্তি তাকে মারধরের উদ্দেশ্যে এগিয়ে আসে এবং প্রাণনাশের হুমকি দেয়।
ঘটনার সার্বিক খোঁজখবর নিতে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিসের নেতাকর্মীরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তারা ভুক্তভোগী ইমাম, মুসল্লি ও স্থানীয় এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে ঘটনার বিস্তারিত জানার চেষ্টা করেন।
এ সময় সংগঠন দুটির নেতৃবৃন্দ অভিযোগের বিষয়ে তীব্র নিন্দা জানান এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের আইনের আওতায় এনে যথাযথ বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানান।
নেতৃবৃন্দ বলেন, কোনো ধর্মীয় বিষয়ে মতপার্থক্য বা বক্তব্যের কারণে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া উচিত নয়। কোনো অভিযোগ থাকলে তা আইনগত ও শান্তিপূর্ণ উপায়ে সমাধান করা উচিত।
ভুক্তভোগী ইমাম সাহেব ও এলাকাবাসীর সঙ্গে নিয়ে ঘটনার সুষ্ঠু বিচার এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ও শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি গ্রহণের কথাও জানান বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিসের নেতৃবৃন্দ।
এদিকে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, ভুক্তভোগীর নিরাপত্তা এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।