কানাডায় কি আসলেই ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ তকমা পেল বিএনপি? জানুন ভাইরাল দাবির আসল সত্য
Ibrahim Bin Rume
প্রকাশ: 18 Aug 2026, 01:21 PM
101 views
2 min read
কানাডায় কি আসলেই ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ তকমা পেল বিএনপি? জানুন ভাইরাল দাবির আসল সত্য
আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ‘ডেইলি পলিটিক্যাল সংবাদ’ নামক একটি পেজ থেকে একটি ভিডিও প্রকাশ করে দাবি করা হয়েছে, “বিএনপিকে ৫ম বারের মতো সন্ত্রাসী সংগঠন বলল কানাডার আদালত”। গত ১৭ আগস্ট ২০২৬ তারিখে প্রচারিত এই পোস্টটি ঘিরে নেটিজেনদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা ও বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে। তবে অনুসন্ধানে দেখা গেছে, এই দাবিটি আংশিক সত্য এবং মূল প্রেক্ষাপট আড়ালে রেখে বিভ্রান্তিকরভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।
কানাডা সরকারের কোনো আনুষ্ঠানিক নিষেধাজ্ঞা নেই
বাস্তবতা হলো, কানাডা রাষ্ট্র বা দেশটির সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-কে কোনো ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ (Terrorist Entity) হিসেবে তাদের অফিসিয়াল তালিকায় তালিকাভুক্ত বা নিষিদ্ধ করেনি। কানাডার গভর্নর ইন কাউন্সিল দ্বারা নির্ধারিত কালো তালিকায় বিশ্বের বিভিন্ন সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর নাম থাকলেও সেখানে বিএনপির কোনো অস্তিত্ব নেই।
তাহলে ‘৫ম বার’ বা আদালতের মন্তব্যের সূত্রপাত কোথায়?
মূল ঘটনাটি মূলত কানাডার ফেডারেল কোর্টে রাজনৈতিক আশ্রয় (Political Asylum) বা ইমিগ্রেশন সংক্রান্ত কিছু ব্যক্তিগত মামলার রায়ের সাথে জড়িত। কানাডায় রাজনৈতিক আশ্রয় পেতে ব্যর্থ হওয়া বিএনপির কয়েকজন সাবেক মাঠপর্যায়ের কর্মী দেশটির ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ফেডারেল আদালতে আপিল বা জুডিশিয়াল রিভিউয়ের আবেদন করেছিলেন।
সেই রিভিউ পিটিশনগুলো খারিজ করার সময় বিচারকরা কানাডার ইমিগ্রেশন আইনের (IRPA) ধারা ৩৪(১)-এর আইনি সংজ্ঞা ব্যবহার করেন। এই ধারা অনুযায়ী, কোনো রাজনৈতিক দল যদি অতীতে হরতাল, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ বা বলপ্রয়োগের রাজনীতির সাথে যুক্ত থাকে, তবে দেশটির ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা আবেদনকারীকে সাধারণ আশ্রয়ের অনুপযুক্ত ঘোষণা করতে পারেন।
২০২৩ সালের মাঝামাঝি সময়ে পঞ্চম ব্যক্তি হিসেবে মো. জিপসেদ ইবনে হক নামের এক কর্মীর জুডিশিয়াল রিভিউ মামলার রায়েও পূর্বের ধারাবাহিকতায় একই আইনি ধারার উল্লেখ আসে। বিচারকরা পর্যবেক্ষণে বলেছিলেন, কর্মকর্তাদের এমনটি বিশ্বাস করার 'যৌক্তিক কারণ' রয়েছে যে দলটি জোরপূর্বক সরকার পরিবর্তনের বা সহিংসতার রাজনীতিতে যুক্ত ছিল।
রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে প্রচার
আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি কানাডা আদালতের পক্ষ থেকে কোনো রাজনৈতিক দলকে সরাসরি আন্তর্জাতিক ‘সন্ত্রাসী দল’ হিসেবে ঘোষণা বা নিষিদ্ধ করার কোনো রায় ছিল না। এটি ছিল একান্তই দেশটির অভ্যন্তরীণ ইমিগ্রেশন আইনের মারপ্যাঁচে ব্যক্তিগত রাজনৈতিক আশ্রয় বাতিলের একটি আইনি পর্যবেক্ষণ। কিন্তু রাজনৈতিক দলগুলোর পারস্পরিক কাদা ছোড়াছুড়ি এবং সামাজিক মাধ্যমের কিছু পেজের অতি-নাটকীয় শিরোনামের কারণে সাধারণ মানুষের মাঝে এটি বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ‘ডেইলি পলিটিক্যাল সংবাদ’ নামক একটি পেজ থেকে একটি ভিডিও প্রকাশ করে দাবি করা হয়েছে, “বিএনপিকে ৫ম বারের মতো সন্ত্রাসী সংগঠন বলল কানাডার আদালত”। গত ১৭ আগস্ট ২০২৬ তারিখে প্রচারিত এই পোস্টটি ঘিরে নেটিজেনদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা ও বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে। তবে অনুসন্ধানে দেখা গেছে, এই দাবিটি আংশিক সত্য এবং মূল প্রেক্ষাপট আড়ালে রেখে বিভ্রান্তিকরভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।
কানাডা সরকারের কোনো আনুষ্ঠানিক নিষেধাজ্ঞা নেই
বাস্তবতা হলো, কানাডা রাষ্ট্র বা দেশটির সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-কে কোনো ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ (Terrorist Entity) হিসেবে তাদের অফিসিয়াল তালিকায় তালিকাভুক্ত বা নিষিদ্ধ করেনি। কানাডার গভর্নর ইন কাউন্সিল দ্বারা নির্ধারিত কালো তালিকায় বিশ্বের বিভিন্ন সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর নাম থাকলেও সেখানে বিএনপির কোনো অস্তিত্ব নেই।
তাহলে ‘৫ম বার’ বা আদালতের মন্তব্যের সূত্রপাত কোথায়?
মূল ঘটনাটি মূলত কানাডার ফেডারেল কোর্টে রাজনৈতিক আশ্রয় (Political Asylum) বা ইমিগ্রেশন সংক্রান্ত কিছু ব্যক্তিগত মামলার রায়ের সাথে জড়িত। কানাডায় রাজনৈতিক আশ্রয় পেতে ব্যর্থ হওয়া বিএনপির কয়েকজন সাবেক মাঠপর্যায়ের কর্মী দেশটির ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ফেডারেল আদালতে আপিল বা জুডিশিয়াল রিভিউয়ের আবেদন করেছিলেন।
সেই রিভিউ পিটিশনগুলো খারিজ করার সময় বিচারকরা কানাডার ইমিগ্রেশন আইনের (IRPA) ধারা ৩৪(১)-এর আইনি সংজ্ঞা ব্যবহার করেন। এই ধারা অনুযায়ী, কোনো রাজনৈতিক দল যদি অতীতে হরতাল, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ বা বলপ্রয়োগের রাজনীতির সাথে যুক্ত থাকে, তবে দেশটির ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা আবেদনকারীকে সাধারণ আশ্রয়ের অনুপযুক্ত ঘোষণা করতে পারেন।
২০২৩ সালের মাঝামাঝি সময়ে পঞ্চম ব্যক্তি হিসেবে মো. জিপসেদ ইবনে হক নামের এক কর্মীর জুডিশিয়াল রিভিউ মামলার রায়েও পূর্বের ধারাবাহিকতায় একই আইনি ধারার উল্লেখ আসে। বিচারকরা পর্যবেক্ষণে বলেছিলেন, কর্মকর্তাদের এমনটি বিশ্বাস করার 'যৌক্তিক কারণ' রয়েছে যে দলটি জোরপূর্বক সরকার পরিবর্তনের বা সহিংসতার রাজনীতিতে যুক্ত ছিল।
রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে প্রচার
আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি কানাডা আদালতের পক্ষ থেকে কোনো রাজনৈতিক দলকে সরাসরি আন্তর্জাতিক ‘সন্ত্রাসী দল’ হিসেবে ঘোষণা বা নিষিদ্ধ করার কোনো রায় ছিল না। এটি ছিল একান্তই দেশটির অভ্যন্তরীণ ইমিগ্রেশন আইনের মারপ্যাঁচে ব্যক্তিগত রাজনৈতিক আশ্রয় বাতিলের একটি আইনি পর্যবেক্ষণ। কিন্তু রাজনৈতিক দলগুলোর পারস্পরিক কাদা ছোড়াছুড়ি এবং সামাজিক মাধ্যমের কিছু পেজের অতি-নাটকীয় শিরোনামের কারণে সাধারণ মানুষের মাঝে এটি বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।