'চা খাওয়ার খরচ' বাবদ ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি: পিরোজপুরে ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতিসহ গ্রেপ্তার ৪
Ibrahim Bin Rume
প্রকাশ: 05 Sep 2026, 06:52 AM
8 views
2 min read
'চা খাওয়ার খরচ' বাবদ ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি: পিরোজপুরে ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতিসহ গ্রেপ্তার ৪
নিজস্ব প্রতিবেদক, পিরোজপুর
পিরোজপুর সদর উপজেলার কদমতলায় একটি নির্মাণাধীন সরকারি প্রকল্পে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি ও পাইপলাইন ভাঙচুরের অভিযোগে কদমতলা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুস সালাম শেখসহ চার দলীয় নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। র্যাব ও পুলিশের পৃথক অভিযানে ঢাকা এবং পিরোজপুর থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া অন্য তিনজন হলেন—কদমতলা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি হাসিব শেখ, ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক রাজু শেখ এবং ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সাবেক সভাপতি আশরাফুল।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পিরোজপুর সদর উপজেলার কদমতলা গ্রামে একটি জাতীয় গ্রিড বিদ্যুৎ সাবস্টেশন প্রকল্পের বালু ভরাটের ঠিকাদারি কাজের চুক্তি করেন শহরের কুমারখালী এলাকার ব্যবসায়ী মো. জাকির হোসেন। কাজ শুরু করার পর থেকেই কদমতলা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুস সালাম শেখ নিজেকে সেই কাজে অংশীদার করার জন্য চাপ দিয়ে আসছিলেন। ঠিকাদার জাকির হোসেন এই প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় সালাম শেখ প্রতি সিএফটি বালু ফেলার জন্য 'চা খাওয়ার খরচ' বা চাঁদা বাবদ এককালীন ১০ লাখ টাকা দাবি করেন।
দাবিকৃত চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে গত ২৫ আগস্ট রাতে সালাম শেখের নির্দেশে তাঁর সহযোগীরা বালু পরিবহনের প্রায় এক কিলোমিটার পাইপলাইন ভেঙে ফেলে, এতে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রায় দেড় লাখ টাকার ক্ষতি হয়। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী ঠিকাদার জাকির হোসেন বাদী হয়ে পিরোজপুর সদর থানায় সালাম শেখসহ ৬ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৪-৫ জনকে আসামি করে একটি চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করেন।
মামলা দায়েরের পর গতকাল ৩০ আগস্ট বিশেষ অভিযানে ঢাকা থেকে প্রধান আসামি সালাম শেখকে এবং পিরোজপুরের স্থানীয় এলাকা থেকে বাকি তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
অবশ্য গ্রেপ্তারের পূর্বে বিএনপি নেতা সালাম শেখ চাঁদা দাবির অভিযোগ অস্বীকার করে গণমাধ্যমের কাছে দাবি করেছিলেন, স্থানীয় কিছু যুবক সামান্য 'চা-পানির খরচ' চেয়েছিল, যার সাথে তাঁর কোনো সরাসরি সম্পৃক্ততা ছিল না।
পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শরিফুল ইসলাম জানিয়েছেন, আসামিদের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এলাকার যেকোনো ধরণের চাঁদাবাজি ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে পুলিশের জিরো টলারেন্স নীতি বজায় থাকবে বলেও তিনি স্পষ্ট করেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক, পিরোজপুর
পিরোজপুর সদর উপজেলার কদমতলায় একটি নির্মাণাধীন সরকারি প্রকল্পে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি ও পাইপলাইন ভাঙচুরের অভিযোগে কদমতলা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুস সালাম শেখসহ চার দলীয় নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। র্যাব ও পুলিশের পৃথক অভিযানে ঢাকা এবং পিরোজপুর থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া অন্য তিনজন হলেন—কদমতলা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি হাসিব শেখ, ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক রাজু শেখ এবং ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সাবেক সভাপতি আশরাফুল।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পিরোজপুর সদর উপজেলার কদমতলা গ্রামে একটি জাতীয় গ্রিড বিদ্যুৎ সাবস্টেশন প্রকল্পের বালু ভরাটের ঠিকাদারি কাজের চুক্তি করেন শহরের কুমারখালী এলাকার ব্যবসায়ী মো. জাকির হোসেন। কাজ শুরু করার পর থেকেই কদমতলা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুস সালাম শেখ নিজেকে সেই কাজে অংশীদার করার জন্য চাপ দিয়ে আসছিলেন। ঠিকাদার জাকির হোসেন এই প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় সালাম শেখ প্রতি সিএফটি বালু ফেলার জন্য 'চা খাওয়ার খরচ' বা চাঁদা বাবদ এককালীন ১০ লাখ টাকা দাবি করেন।
দাবিকৃত চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে গত ২৫ আগস্ট রাতে সালাম শেখের নির্দেশে তাঁর সহযোগীরা বালু পরিবহনের প্রায় এক কিলোমিটার পাইপলাইন ভেঙে ফেলে, এতে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রায় দেড় লাখ টাকার ক্ষতি হয়। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী ঠিকাদার জাকির হোসেন বাদী হয়ে পিরোজপুর সদর থানায় সালাম শেখসহ ৬ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৪-৫ জনকে আসামি করে একটি চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করেন।
মামলা দায়েরের পর গতকাল ৩০ আগস্ট বিশেষ অভিযানে ঢাকা থেকে প্রধান আসামি সালাম শেখকে এবং পিরোজপুরের স্থানীয় এলাকা থেকে বাকি তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
অবশ্য গ্রেপ্তারের পূর্বে বিএনপি নেতা সালাম শেখ চাঁদা দাবির অভিযোগ অস্বীকার করে গণমাধ্যমের কাছে দাবি করেছিলেন, স্থানীয় কিছু যুবক সামান্য 'চা-পানির খরচ' চেয়েছিল, যার সাথে তাঁর কোনো সরাসরি সম্পৃক্ততা ছিল না।
পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শরিফুল ইসলাম জানিয়েছেন, আসামিদের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এলাকার যেকোনো ধরণের চাঁদাবাজি ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে পুলিশের জিরো টলারেন্স নীতি বজায় থাকবে বলেও তিনি স্পষ্ট করেন।