“বাবুল মিয়াকে নিয়ে আশাবাদী ছিলাম, তাঁর বক্তব্য নতুন করে ভাবাচ্ছে”—মুফতি জাহিদুল ইসলাম
MD. MAHDI HASAN
প্রকাশ: 17 Aug 2026, 01:05 AM
569 views
2 min read
“বাবুল মিয়াকে নিয়ে আশাবাদী ছিলাম, তাঁর বক্তব্য নতুন করে ভাবাচ্ছে”—মুফতি জাহিদুল ইসলাম
ভাঙ্গার সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বাবুলের সাম্প্রতিক একটি বক্তব্য নিয়ে নিজের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন নগরকান্দার মদিনাতুল উলুম মাদ্রাসার শিক্ষক মুফতি জাহিদুল ইসলাম।
তিনি বলেন, শহিদুল ইসলাম বাবুল দীর্ঘদিন ধরে মাঠের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ফরিদপুরের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের যোগাযোগ ও ওঠাবসা রয়েছে।
মুফতি জাহিদুল ইসলাম বলেন, “ভাঙ্গার এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর আমি একদিক থেকে খুশি হয়েছিলাম। মনে হয়েছিল, অনেক দিন পর ভাঙ্গা একজন অভিজ্ঞ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে পেয়েছে। দলমত নির্বিশেষে রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও মাঠের রাজনীতির বিবেচনায় ভাঙ্গার প্রার্থীদের মধ্যে বাবুল মিয়াকে আমি এগিয়ে রেখেছিলাম। তাঁকে পেয়ে ভাঙ্গার মানুষ একজন ভালো রাজনৈতিক নেতা পেল—এমনটাই প্রত্যাশা ছিল।”
তবে শহিদুল ইসলাম বাবুলের সাম্প্রতিক একটি বক্তব্য তাঁকে নতুন করে ভাবিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “তাঁর এই বক্তব্য আমার মতো হাজারো মানুষকে নতুন করে ভাবনার জায়গায় নিয়ে গেছে। যদি তিনি অসাবধানতাবশত কথাটি বলে থাকেন, তাহলে দুঃখ প্রকাশ কিছুটা হলেও সান্ত্বনার কারণ হতে পারে। আর যদি সেটিই তাঁর মনের প্রকৃত কথা হয়ে থাকে, তাহলে বিষয়টি ভাঙ্গাবাসীর জন্য দুর্ভাগ্যজনক বলেই মনে করি।”
সামনের দিনের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমেই একজন জনপ্রতিনিধির প্রকৃত অবস্থান আরও পরিষ্কার হবে বলে মনে করেন মুফতি জাহিদুল ইসলাম। তিনি প্রচলিত প্রবাদ উল্লেখ করে বলেন—
“বৃক্ষ তোমার নাম কী? ফলে পরিচয়।”
ভাঙ্গার সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বাবুলের সাম্প্রতিক একটি বক্তব্য নিয়ে নিজের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন নগরকান্দার মদিনাতুল উলুম মাদ্রাসার শিক্ষক মুফতি জাহিদুল ইসলাম।
তিনি বলেন, শহিদুল ইসলাম বাবুল দীর্ঘদিন ধরে মাঠের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ফরিদপুরের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের যোগাযোগ ও ওঠাবসা রয়েছে।
মুফতি জাহিদুল ইসলাম বলেন, “ভাঙ্গার এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর আমি একদিক থেকে খুশি হয়েছিলাম। মনে হয়েছিল, অনেক দিন পর ভাঙ্গা একজন অভিজ্ঞ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে পেয়েছে। দলমত নির্বিশেষে রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও মাঠের রাজনীতির বিবেচনায় ভাঙ্গার প্রার্থীদের মধ্যে বাবুল মিয়াকে আমি এগিয়ে রেখেছিলাম। তাঁকে পেয়ে ভাঙ্গার মানুষ একজন ভালো রাজনৈতিক নেতা পেল—এমনটাই প্রত্যাশা ছিল।”
তবে শহিদুল ইসলাম বাবুলের সাম্প্রতিক একটি বক্তব্য তাঁকে নতুন করে ভাবিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “তাঁর এই বক্তব্য আমার মতো হাজারো মানুষকে নতুন করে ভাবনার জায়গায় নিয়ে গেছে। যদি তিনি অসাবধানতাবশত কথাটি বলে থাকেন, তাহলে দুঃখ প্রকাশ কিছুটা হলেও সান্ত্বনার কারণ হতে পারে। আর যদি সেটিই তাঁর মনের প্রকৃত কথা হয়ে থাকে, তাহলে বিষয়টি ভাঙ্গাবাসীর জন্য দুর্ভাগ্যজনক বলেই মনে করি।”
সামনের দিনের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমেই একজন জনপ্রতিনিধির প্রকৃত অবস্থান আরও পরিষ্কার হবে বলে মনে করেন মুফতি জাহিদুল ইসলাম। তিনি প্রচলিত প্রবাদ উল্লেখ করে বলেন—
“বৃক্ষ তোমার নাম কী? ফলে পরিচয়।”